প্রদেস কংগ্রেসের কার্যালয়, বিধান ভবনে ঢুকে বিজেপি ও আর এস এস এর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে -মহামিছিল ।

 



আজ ৩০ শে আগস্ট শনিবার।, ঠিক দুপুর আড়াইটায়, পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির ডাকে, রাজ্য সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের আহবানে এবং রাহুল গান্ধীর নির্দেশে । পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় কংগ্রেসের কার্যালয় বিধান ভবনে ঢুকে বিজেপি ও আরএসএস এর গুন্ডাবাহিনী যেভাবে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে, কংগ্রেসের পতাকা পুড়িয়ে , কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর , প্রিয়াংকা গান্ধী, জীগুলাম আহমেদ মীরের মুখে কালি লাগিয়েছে, ভাঙচুর চালিয়েছে তার প্রতিবাদে, বিধান ভবন থেকে কলেজ স্টিট পর্যন্ত কয়েক চোখ কংগ্রেস সদস্যদের নিয়ে মহামিছিল করলেন। 


উপস্থিত ছিলেন- - কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি শুভঙ্কর সরকার, প্রাক্তন সংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মুক্তার, প্রদীপ প্রসাদ, আশুতোষ চ্যাটার্জি, তাপস মজুমদার, সন্তোষ, পূজা, সুরভী, অন্যান্য নেতা ও নেতৃবৃন্দরা, 


বিধান ভবনে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের পর, কয়েকশো সদস্য নিয়ে বিধান ভবন থেকে কলেজটির পর্যন্ত বিজেপি আর.এস এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এই মহা মিছিল করলেন।, মিছিলের প্রথম ভাগে ছিল বেশ কিছু বাইক মিছিল। বিভিন্ন জেলা থেকে প্রদেশ কংগ্রেসের সদস্যরা এই মিছিলে পাওয়া মেলান, 


বিধান ভবনে কংগ্রেস কার্যালয়ে বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিবাদে, এবং অবিলম্বে মূল কালপিটকে গ্রেপ্তারের দাবীতে মিছিল করে এসে কলেজ স্ট্রিটের মুখে রাস্তা অবরোধ করেন, 


তাহারা বলেন ভোট চোর গতি চোর রাহুল গান্ধী সত্য উদঘাটনের জন্য বিজেপি অফিসে ভাঙচুর চালিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এবং বিজেপির প্রধানমন্ত্রী মোদীর যৌথ প্রচেষ্টায় ভোট চুরির বিরুদ্ধে রাহুল গান্ধী যখন সত্য উদঘাটন করছেন, ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দিয়েছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে এই আক্রমণ, আমরা প্রশাসনকে একটা কথাই বলতে চাই যদি কাল্পিটকে গ্রেফতার না করা হয় তাহলে আমরা আরো জোরদার আন্দোলন করবো, আমরা বাধ্য হয়েছি পুজোর সময় রাস্তা অবরোধ করতে, কারণ সবাই ভাবে কংগ্রেস দুর্বল, আমরা মারের বদলে মার চাইনা, ভাঙচুরের পরিবর্তে ভাঙচুর চায় না, আমরা বিজেপিকে বুঝিয়ে দিতে চেয়েছি কংগ্রেস দুর্বল নয় কাল আজকে ট্রেলারে বুঝতে পেরেছেন। আমরা মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধীর পথ অনুসরণ করে চলি, আর একটা কথা বলব দম থাকলে সামনে এসে লড়ে যাক। দম থাকলে আরেকটা পার্টি অফিস ভাঙচুর করুক, কংগ্রেস বুঝিয়ে দেবে।। 


মিছিল শুরুর আগে থেকেই প্রশাসনের তরফ থেকে বিজেপি পার্টি অফিসের চতুর্দিকে ব্যারিকেড করে দেন যাতে কোনো রকম গন্ডগোলের সৃষ্টি না হয়।, মিছিল যখন কলেজস্ট্রিটের সম্মুখে আসেন বেশ কিছু কংগ্রেস কর্মী পার্টি অফিসের দিকে এগিয়ে যায়। এবং পার্টির অফিসের সম্মুখে পৌঁছালে, কংগ্রেসের সভাপতি নির্দেশে তারা ফিরে আসেন। এটাই কংগ্রেসের দলের মানবতা শৃঙ্খলা, না হলে আমাদের ছেলেরা বুঝিয়ে দিতো আজ, 


আজ আমরা দুর্বল নয়, তাই বাই ইলেকশন ভোট হয়েছে, ৫% থেকে ১০% ভোটে পৌঁছেছি। তাই আজকের মহামিছিলে বুঝে গেছেন বিজেপি দল, তারা ক্ষমা চেয়েছেন, প্রশাসন কথা দিয়েছেন মূল কালপিট কে গ্রেফতার করবেন, আজ আমাদের আইনজীবীরা যে চারজন গ্রেপ্তার হয়েছে, তাদেরকে জামিনে আটকে দিয়েছেন, তারা পুলিশ কাস্টডিতে রয়েছে, যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন অভিজিৎ লাহা, সুমিত্রা নিয়োগী ,ইয়াকুব খান, এ. ভট্টাচার্য, তিনি আরো বলেন যে এইরকম ঘটনা ঘটালো, তিনি কিভাবে এখনো বিরোধী দল নেতার সহিত ঘুরে বেড়াচ্ছেন , অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে, 


মোদিজী, অমিত শাহের উদ্দেশ্যে জানালেন, অনেক বড় বড় ভাষণ দিয়েছেন, অথচ নির্বাচন কমিশনের সাথে যুক্ত হয়ে ২০২৪ শে ভোট চুরি করে আপনি গদিতে বসেছেন, আর রাহুল গান্ধী। সেই ফাঁস সবার সামনে তুলে ধরেছেন এটাই আপনাদের গায়ে লাগছে। কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না, তাই আপনার লোকেদের কে দিয়ে পার্টি অফিস ভাঙচুর চালাচ্ছেন কংগ্রেসের। কিন্তু আমাদেরকে দমাতে পারবেন না, তাই ছোট্ট ট্রেলার দেখালাম, আমি কংগ্রেসের দায়িত্ব নিয়েছি, আরো শক্তিশালী করার জন্য এবং প্রতিষ্ঠা করার জন্য, বদলা নেওয়ার জন্য নয়, আপনাদের উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য আজকের এই মহামিছিল। 


রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.