ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, খরচ হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার বরাদ্দ আছে ৩২ হাজার। বাকি টাকা কোথা থেকে আসবে। এই বরাদ্দের সমস্যা উদ্যোগ নেয়া হবে। এ সামান্য দাবি মানতে না পারলে এটা আমাদের জন্য ব্যর্থতা।
ফরিদা আখতার বলেন, আমরা বারবারই বলেছি দেশের চাহিদাকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতের অনুরোধে ১২শ মেট্রিক টন ইলিশ পাঠাতে হচ্ছে। তবে এবারে চাহিদার তুলনায় অনেক কম এবং তুলনামূলক বেশি মূল্যে দেওয়া হচ্ছে। দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখা ও সাধারণ মানুষের কাছে ইলিশ পৌঁছানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।
তিনি বলেন, অবৈধ রিং জাল ব্যবহার করে যারা মাছ শিকার করছে তারা মানুষের শত্রু, দেশের শত্রু। এ সময় অবৈধ জাল উৎপাদন ও বিক্রেতাদের প্রতি কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মৎস্য উপদেষ্টা বলেন, অভিযান শুধুমাত্র জেলেদের জন্য নয়। যারা অবৈধ রিং জাল তৈরি করে, বিক্রি করে বা ব্যবহার করে—তাদের বিরুদ্ধেও সমান কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের জলজ সম্পদ ধ্বংসকারীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, জলাশয় রক্ষণাবেক্ষণ এবং জেলেদের প্রণোদনা বাড়ানোর মাধ্যমে টেকসই মৎস্য সম্পদ নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের আয়োজনে সদরের বুড়ির বাঁধ সংলগ্ন জলাশয়ের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে মৎস্যজীবী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানার সভাপতিত্বে এবং সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আয়েশা আক্তারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. আবদুর রউফ, পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরাফাত উদ্দিন আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম, সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জিয়াউর রহমান বকুল, নিউজ বাংলার জেলা প্রতিনিধি সোহেল রানাসহ অনেকে।
এর আগে অভয়াশ্রমে মৎস্য অবমুক্ত করেন মৎস্য উপদেষ্টা। পরে তিনি মৎস্য অভয়াশ্রম ঘুরে দেখেন এবং বাধ প্রাংগনে একটি গাছের চারা রোপন করেন।


❝আপনি আপনার মতামত দিন, অবশ্যই ভালো রুচিশীল মন্তব্য করুন 🙂 ধন্যবাদ ❞