মোঃ আনোয়ার হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমানকে বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষা বোর্ড -এর পক্ষ থেকে কারণ দর্শানো নোটিশ অর্থাৎ শোকজ করা হয়েছে।
গত ১৭ মার্চ ইং তারিখে বোর্ডের পক্ষ থেকে শোকজটি করেন প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল হক পরিচালক (ভোকেশনাল) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। শোকজের জবাব আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। জানা যায়, কারিগরী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের বিএম শাখায় ইংরেজী বিভাগে চাকুরী নেন আতিকুর রহমান।
তিনি ৮ (আট) বছর চাকুরীকাল অতিবাহিত করার পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অডিটে তার নিবন্ধন সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। এমতাবস্হায় রুহিয়া ডিগ্রি কলেজের তৎকালীন অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ কে ভূয়া নিবন্ধনধারী প্রভাষক আতিকুর এর বিরুদ্ধে নিকটস্হ থানায় মামলার নির্দেশ দেয়
মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষ। যাতে আতিকুর এর আত্মসাৎকৃত সরকারী ১৬ থেকে ১৭ লক্ষ টাকা আদায়সহ শাস্তিমূলক ব্যবস্হা গ্রহন করা হয়। কিন্তু তৎকালীন অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ কোন ব্যবস্হা গ্রহণ না করেই দ্রুত চাকুরীকাল শেষ করে অবসরে চলে যায়।
সে সময় উপাধ্যক্ষ পদে নিয়োজিত ছিলেন বর্তমান অধ্যক্ষ মজিবর রহমান। পরে বিধি মোতাবেক মজিবর রহমান অধ্যক্ষ পদে মামুনুর রশিদের স্হলাভিষিক্ত হন। ফলে আতিকুরের দায়িত্বও তার উপর বর্তালে এরুপ পরিস্হিতির সম্মুখীন হতে হয় অধ্যক্ষ মজিবর রহমান কে। এখানে উল্লেখ্য যে, তৎকালীন অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ আতিকুরকে গভর্নিং বডির মাধ্যমে চাকুরী হতে বরখাস্ত করেন।
অপরদিকে আতিকুর রহমান চাকুরী ফিরে পেতে হাইকোর্টের দারস্হ হন। এ বিষয়ে ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মজিবর রহমান জানান, গত ১৭মার্চ তারিখে আমার কাছে একটি চিঠি এসেছিল।
আমি তার উত্তর দিয়ে পাঠিয়েছি। দেখি উত্তরের ওরা কি নির্দেশনা দেয়, আমি ওদের কাছে আবার পরামর্শ চাইবো। আতিকুরের বিষয়ে আইনি ও পদক্ষেপ নিবে কিনা এমন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নিলে নিতে পারে কারণ কলকাঠি তো সব ওদের হাতে, আমার বিরুদ্ধে যদি আইনগত ব্যবস্থা নেয় তবে আমিও ব্যবস্থা নেব, ওই সময় আমি ছিলাম না।
- তারিখ:-২৪-০৩-২০২৫ ইং




❝আপনি আপনার মতামত দিন, অবশ্যই ভালো রুচিশীল মন্তব্য করুন 🙂 ধন্যবাদ ❞