মো: জাহাঙ্গীর আলম, রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ-
![]() |
ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া থানাধীন ২১নং ঢোলার হাট ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামের এক বিধবা নারীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগে ওই নারী বাদী হয়ে রুহিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত মো: ফেরদৌস আলী (২৬) ওই এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে এবং বড়দেশ্বরী হাট আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত।
এ ছাড়াও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত নামা আসামী করে অভিযোগটি দায়ের করা হয়। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন গত ১৭/০৪/২০২৫ইং রোজ- বৃহস্পতিবার অনুমান ৩ ঘটিকার সময় ওই নারী প্রতিবেশীদের সঙ্গে আলাপ চারিতায় মগ্ন ছিল।
এমতাবস্থায় অভিযুক্ত ফেরদৌস ওই নারীর সাথে কথা আছে বলে তাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসে। আলাপ চারিতার এক পর্যায়ে ফেরদৌস ওই মহিলাকে কু-প্রস্তাব দেয়। কু-প্রস্তাবে তিনি রাজী না হলে ফেরদৌস বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখায়। উপায়ন্তর না পেয়ে মহিলাটি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসলে ফেরদৌস তাকে বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে।
এর পর দিন অর্থাৎ ১৮/০৪/২০২৫ইং অনুমান ২ ঘটিকার সময় অজ্ঞাত নামা কয়েক জনকে সাথে নিয়ে এসে ফেরদৌস ঘটনা যাতে কেউ জানতে না পারে এই মর্মে ওই নারীকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে ধর্ষন চেষ্টার শিকার ওই নারী নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
সরে জমিনে ওই নারীর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমি একজন অসহায় নারী। আমার একটি মাত্র পুত্র সন্তান রয়েছে। তাছাড়া আমার কেউ নেয়। অপর দিকে ফেরদৌস এলাকার একজন প্রভাবশালীর ছেলে। আমি তার ভয়ে আতৎকিত কারণ যে কোন সময়ে সে বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটাতে পারে।
আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। অভিযুক্ত আসামী ফেরদৌস এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে সে জানায়, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগটি সম্পূর্ণ রুপে মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তি হীন। মূলতঃ আমার ব্যাক্তি ইমেজ নষ্ট কারার জন্য এই অভিযোগটি দার করিয়েছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল ওহাব বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ রুপে সত্য। ঢোলার হাট ইউপি চেয়ারম্যান অখিল চন্দ্র রায় বলেন, ঘটনাটি আমাকে ওই মহিলা জানিয়েছেন। রুহিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম নাজমুল কাদের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
- তারিখঃ- ১৯/০৪/২০২৫ইং
- মোবাইল নাম্বারঃ- ০১৭১৮১৯৮৪৬১।



❝আপনি আপনার মতামত দিন, অবশ্যই ভালো রুচিশীল মন্তব্য করুন 🙂 ধন্যবাদ ❞